Free THE ROAD AHEAD Stock Images - Download The Free THE ROAD AHEAD Stock Images - Download Free Screensavers, Free Stock Images, Play Free Games and Send Free eCards
দর্শন

আমার দু:খের জন্মের সময়

আমার দু:খের জন্ম হলে আমি তার যত্ন নিলাম, তার দিকে তাকালাম পরম মমতায়।

আমার দু:খ বেড়ে উঠল অন্যান্য জীবের মতো, হয়ে উঠল শক্ত ও সুন্দর, আর অদ্ভূত ভাললাগায়।

আমরা একে অপরকে ভালবাসলাম, আমার দু:খ আর আমি, আমাদের চারপাশের সবকিছুকে একসাথে ভালবাসলাম; আমার প্রতি দু:খের মমতা, আমার দু:খের প্রতি আমার মমতার কমতি ছিল না।

এবং আমরা যখন পরস্পরের সাথে কথা বলতাম তখন আমাদের দিন ও রাত্রি ভরে উঠত অদ্ভুত স্বপ্নে; আমার দু:খের ছিল এক বাক্যবাগীশ জিহ্বা, আর আমারও তেমনি ছিল দু:খের প্রতি।

আর আমরা যখন একসাথে গান গাইলাম, আমার দু:খ ও আমি, আমার প্রতিবেশিরা জানালার পাশে বসে শুনল সেই গান; কারণ আমাদের এই গান ছিল সমুদ্রের মতো গভীর আর সুর ছিল অসামান্য স্মৃতিময়।

আর আমরা যখন একসাথে হাঁটতাম, আমার দু:খ ও আমি, লোকজন তাকাত করুণভাবে, মমতায়, আর মধুর স্বরে ফিসফিস করত নিজেরাই। কেউ কেউ হিংসে করত, মনে হতো দু:খ এক মহান জিনিস, আর আমি গর্বিত এই দু:খকে পেয়ে।

কিন্তু একদিন আমার দু:খ গেল মরে, সকল জীব যেমন মরে; আমি একা নিস্তব্ধ, নিথর – চিন্তায় লীন রইলাম পড়ে।

এখন আমি কথা বলতে গেলেই শব্দগুলো ভারী পাথরের মতো চাপা দেয় আমাকেই।

আর যখন গান গাই, প্রতিবেশিরা আসে না শুনতে তা মোটেও।

যখন হাঁটি রাস্তায়, তাকায় না কেউ আমার দিকে।

ঘুমের মধ্যে কেবল শুনি, কেউ কেউ করুণা করে বলছে, “ওই দ্যাখো, সেই লোক, যার দু:খ গেছে মরে।”

Standard
Nature Dimensi HD P
অন্যান্য

কাকতাড়ুয়া / কাহলিল জিবরান

একদিন এক কাকতাড়ুয়াকে বললাম, “এই একাকী প্রান্তরে দাঁড়িয়ে থাকতে নিশ্চয় তুমি ক্লান্ত হয়ে গেছ।”

কাকতাড়ুয়া বলল, “অন্যকে ভয় দেখানোর আনন্দ অনেক গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী, তাই আমি এটি করতে ক্লান্ত হই না।”

এক মিনিট চিন্তা করে বললাম, “সত্য বটে, আমিও পেয়েছি এই আনন্দ।”

সে বলল, “তাদের অভ্যন্তরে গাদা আছে খড় তারাই শুধু বুঝতে পারে এটা।”

সে আমার প্রশংসা করল নাকি বিদ্রুপ সেটি বুঝতে না পেরে আমি চলে আসলাম।

এক বছর চলে গেছে, এর মধ্যে কাকতাড়ুয়া পরিণত হয়েছে দার্শনিকে।

এবার আবার যখন তার পাশ দিয়ে যাচ্ছি, তখন দেখি দুটি কাক বাসা বেঁধেছে তার টুপির নিচে।

Standard
Nature Dimensi HD P
অন্যান্য

জ্যোতির্বিদ / কাহলিল জিবরান

মন্দিরের ছায়ায় আমি ও আমার বন্ধু দেখতে পেলাম এক অন্ধকে, বসে আছে নির্জনে। বললেন বন্ধুটি, “এই দ্যাখো, সবচেয়ে বিজ্ঞ লোক আমাদের এই ভূমিতে।”

বন্ধুটিকে ছেড়ে আমি গেলাম সেই অন্ধের কাছে, করলাম সম্ভাষণ। তারপর চলল কিছু কথাবার্তা।

কিছুক্ষণ পরে জিজ্ঞেস করলাম, “মাফ করবেন, বলবেন কি আপনি অন্ধ ঠিক কখন থেকে?”

“জন্ম থেকে,” বললেন তিনি।

বললাম আমি, “জ্ঞানের কোন পথ আপনি করেছেন অনুসরণ?”

বললেন তিনি, “আমি একজন জ্যোতির্বিদ।”

এরপর তিনি তাঁর হাতটি নিয়ে গেলেন বুকে, ইশারায় হৃদয় দেখিয়ে বললেন, “সূর্য, চন্দ্র আর নক্ষত্র সব আমি দেখি এইখানে।”

Standard
Nature Dimensi HD P
অন্যান্য

পাগল / কাহলিল জিবরান

তোমরা জানতে চাও আমি কীভাবে পাগল হলাম। ঘটনাটি এই: একদিন, অনেক দেবতার জন্মের আগে, আমি জেগে উঠি এক গভীর নিদ্রা থেকে, আর দেখি আমার সব মুখোশ চুরি হয়ে গেছে – সাতটি মুখোশ যা আমি পরিধান করেছি সাতটি জীবনে, তাই চিৎকার করতে করতে মুখোশহীন আমি ছুটে চললাম জনাকীর্ন সড়কে, “চোর, সব চোর, সব অভিশপ্ত চোর”।

নর ও নারীরা আমাকে পরিহাস করল, আর কেউ কেউ ভয়ে পেয়ে ঢুকে গেল তাদের বাড়িতে।

তারপর আমি পৌঁছে গেলাম এক বাজারে, ছাদের উপরে দাঁড়ানো এক যুবক চিৎকার করে বলল, “ও একটা পাগল”। আমি উপরে তাকালাম তাকে দেখতে; আর প্রথমবার সূর্য চুম্বন করল আমার নগ্ন মুখমন্ডল। প্রথমবার আমার নগ্ন মুখমন্ডলকে সূর্য চুমু খেতেই আমার আত্মা প্রজ্জ্বলিত হলো সূর্যের প্রতি ভালবাসায়, এরপর আমি আর আমার মুখোশ চাইনি পেতে ফিরে। তৎক্ষনাৎ চিৎকার করে উঠলাম আমি, ‘আশীর্বাদ, আশীর্বাদ সেইসব চোরদের জন্য যা করেছে চুরি আমার মুখোশসব’।

এভাবেই আমি হলাম পাগল।

এবং তারপর থেকেই আমি খুঁজে পেয়েছি নি:সঙ্গতার স্বাধীনতা এবং আমাকে না বোঝার নিরাপত্তা, কারণ কেউ আমাদের বুঝতে পারলে আমাদের মাঝে গেঁথে দেয় কিছু দাসত্ব।

তবে আমি করতে চাইনা অহঙ্কার আমার নিরাপত্তার। কারাগারে নিবদ্ধ এক চোরও আরেক চোরের থেকে নিরাপদ।

Standard
আত্মোন্নয়ন

এখানেই? নাকি সামনে?

প্রথম সাইকেল চালাতে শিখছি। কয়েক পাড়াতুতো ভাই শেখাচ্ছে। সিটের উপর বসে প্যাডেল ঘুরাতে হবে। সিট আমার মাপেই। ওঠার পর প্যাডেলও পায়ের নাগালে পাচ্ছি। এখন কাজ হলো প্যাডেলে চাপ দেয়া। কিন্তু যেই প্যাডেলে চাপ দিতে যাই ওমনি পড়ে যাই। এভাবে বেশ কয়েকবার। তারপর সবাই আমাকে ধরল। বলল, সামনে তাকাও – যখন প্যাডেলে চাপ দিচ্ছ তখন প্যাডেলের দিকে তাকিও না। তারপর অনেক কষ্টে দৃষ্টি সামনের দিকে দিতে শিখলাম। বারবার পায়ের দিকে তাকানো বন্ধ করার পরই দিব্যি সাইকেল চালানো শিখে গেলাম।
Continue reading

Standard
আত্মোন্নয়ন

আগামীকাল? কখন?

প্রতিদিন কত কাজই তো করেন। তারপরও কাজ শেষ হয় না, একটা শেষ না করতেই আরেকটা এসে হাজির হয়। এই সমস্যাটা সবার। আর তাই অনেকেই ভাবি থাক এই কাজটা আগামীকাল করব। এটি ভাবা খারাপ না। আসলে অনেক কাজ আছে যেগুলি আজকে না করে আগামীকাল করাই ভাল; আবার কিছু কাজ আছে যেগুলি কোনোদিন না করলেই ভাল! তবে যখন কোনো কাজ আগামীকাল করবেন বলে ঠিক করেন তখন সেই কাজটি কি সত্যিই আগামীকাল করা হয়ে ওঠে? বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই সেটি হয় না; আমার নিজেরও না। কারণ আমরা আগামীকাল ঠিক কোন সময়ে সেই কাজটি করব তা নির্ধারণ করি না।

আমাদের পরিকল্পনা যদি পরিষ্কার হয় তাহলে সেটি করার টান থাকে; সেটি সময়মতো করা হয়ে ওঠে। কিন্তু যদি ‘আগামীকাল’ এর মতো অনির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয় তাহলে সেটির প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা কমে যায়। তাই যখনই আগামীকাল কিছু করতে চাইব তখনই উচিত হবে সেই কাজটির জন্য একটি সময় নির্ধারণ করে দেয়া। আপনার ক্যালেন্ডারে গিয়ে সেটির জন্য একটি সময় নির্ধারণ করে দিন; পারলে কোথায় করবেন সেটিও ঠিক করে দিন। গবেষণায় দেখা গেছে কোনো কাজের জন্য সময় ও স্থান নির্ধারণ করা হয়ে গেলে সেটি করা সহজ হয়ে ওঠে। Continue reading

Standard
শ্রী চিন্ময়
কবিতা

স্বপ্ন / শ্রী চিন্ময়

১.
স্বপ্নসব বাঁচিয়ে রাখে এই পৃথিবী।

২.
আজকের স্বপ্নদ্রষ্টা আগামীদিনের পথসন্ধানী।

৩.

প্রতিটি স্বপ্নই সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।

৪.

প্রতিটি স্বপ্নই নিজেকে আবিষ্কারের সুযোগ।

৫.

স্বপ্ন আমাদেরকে মেঘের মধ্যেই পাল তুলে নাও বাইতে প্রেরণা যোগায়।

৬.

স্বপ্ন থেকে জন্ম নেয় বাস্তবতা।

৭.

প্রতি মুহূর্তে স্রষ্টা স্বপ্ন দেখছেন তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমে।

৮.

প্রথমে আমরা স্বপ্ন দেখি, তারপর শীঘ্রই, বাস্তবতা নেমে আসে।

৯.

আমরা প্রার্থনা করলে ঈশ্বর আমাদের এক নূতন স্বপ্ন দিয়ে আশীর্বাদ করেন।

১০.

স্বপ্ন এক বীজ; এর থেকে বেড়ে ওঠে বাস্তবতা।

১১.

মানবজাতির যা দরকার: দিনের বেলায় ইতিবাচক চিন্তা, রাতের বেলায় ইতিবাচক স্বপ্ন।

১২.

মন যখন পরিষ্কার, স্বপ্ন তখন উজ্জ্বল।

১৩.

হৃদয় যখন বিশুদ্ধ, স্বপ্ন তখন সুন্দর।

১৪.

জীবন যখন স্বত-প্রণোদিত, স্বপ্ন তখন ফলদায়ক।

১৫.

কোনো স্বপ্নই চিরকাল অপূর্ণ থাকে না।

১৬.

ধৈর্য্য ও অধ্যাবসায় স্বপ্ন-পূরণকারী।

১৭.

প্রতিটি স্বপ্ন আমাদের হৃদয়ে ঈশ্বরের-সৌরভ।

১৮.

আজকের আত্মার-স্বপ্নদ্রষ্টা আগামীদিনের জীবন-গঠনকারী।

১৯.

মনোহর স্বপ্ন এক উর্দ্ধমুখী শিখা।

২০.

একটি স্বপ্ন সজীবতা। একটি স্বপ্ন নবীনতা। একটি স্বপ্ন পরিপূর্ণতা।

২১.

খারাপ স্বপ্নের জন্য ভয় পেও না। তাকে আক্রমণ করো, হাল ছেড়ো না।

২২.

নিরুৎসাহক স্বপ্নকে পরিণত করা যেতে পারে এক আলোকিত বাস্তবতায়।

২৩.

ফুলের স্বপ্ন দেখো, তুমি পরিণত হবে ফুলের সৌন্দর্যে।

২৪.

নৌকার স্বপ্ন দেখো, তুমি পরিণত হবে ভ্রমণের উদ্যমে।

২৫.

পর্বতের স্বপ্ন দেখো, নৈশব্দ হবে তোমার নাম।

২৬.

নদীর স্বপ্ন দেখো, তোমার জীবনের বৈভব গড়াবে আত্মার অমরতায়।

২৭.

আকাশের স্বপ্ন দেখো, তুমি হবে অসীমের সন্তান।

২৮.

সূর্যের স্বপ্ন দেখো, তুমি হবে আগুনের মালিক এবং দাতা।

২৯.

স্বাপ্নিক এক প্রেরণা-আরোহক। স্বাপ্নিক এক আকাঙ্ক্ষার-ধাবক।

৩০.

স্বাপ্নিক এক মনোযোগের নোঙর। স্বাপ্নিক  এক ধ্যানের- ডুবুরি। স্বাপ্নিক এক নীরিক্ষার-বন্দর।

৩১.

স্বপ্নদ্রষ্টা হলো অনন্তের গান এবং অসীমের নৃত্য।

৩২.

স্বাপ্নিক হলো হৃদয়ের সৌন্দর্য ও আত্মার উল্লাসের মধ্যে এক সোনালি সেতুবন্ধন।

৩৩.

লক্ষ্যের দিকে ধাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে স্বপ্ন।

৩৪.

স্বপ্নের মূল যত গভীর, বাস্তবতার সৈকত ততই নিকটে।

৩৫.

গতকালের স্বপ্ন ছিল দেখার। আজকের স্বপ্ন হলো হওয়ার।

৩৬.

এক বর্ণিল স্বপ্ন হলো ঈশ্বরের সঞ্চিত হাসি।

৩৭.

এক বর্ণিল স্বপ্ন হলো সোনালি সকালের পূর্বাভাস।

৩৮.

এক বর্ণিল স্বপ্ন লক্ষ্যকে নিয়ে আসতে নিকটের চেয়েও নিকটে।

৩৯.

স্বপ্ন কোনো মানসিক অলীকদর্শন নয়। স্বপ্ন হলো আধ্যাত্মিক রোশনাই।

৪০.

প্রতিটি স্বপ্নই অঙ্কুরোদগমিত নূতন সৃষ্টি।

৪১.

প্রতিটি স্বপ্নই ঈশ্বরের হাসিমুখের হাসিমাখা বাস্তবায়ন।

৪২.

আমাদের মন যখন প্রশান্ত থাকে, ঈশ্বর তখন গর্বের সাথে আশীর্বাদ করেন স্বর্গ-গামী স্বপ্নের মাধ্যমে।

৪৩.

আমাদের মন নীরব থাকলে, পরমা দেখায় তাঁর চোখের সৌন্দর্য আর তাঁর হৃদয়ের অমরত্ব।

৪৪.

স্বপ্ন একটি মাঠ যেখানে ফোটে বাস্তবতা-ফুল।

৪৫.

স্বপ্ন হলো মনের আলোকায়ন আর জীবনের পরিপূর্ণায়ন।

৪৬.

স্বপ্ন এক উর্ধগামী উড্ডয়ন। বাস্তবতা হলো সামনে যাওয়ার বিজয়-যাত্রা।

৪৭.

হৃদয়ের স্বপ্নের পেছনে ছোটো। তারাই তোমাকে নিয়ে যাবে উপলব্ধির-সূর্যোদয়ে।

৪৮.

প্রকৃত স্বপ্ন ব্যর্থ হয় না; এটি বইতে বইতে ভিড়ে গিয়ে সোনালি সৈকতে।

৪৯.

শিশু হলো মায়ের স্বপ্ন-পূরক-জীবন।

৫০.

যখন আপনি স্বপ্ন দেখেন এক নক্ষত্রের, আপনার মনের অন্ধকার আত্মসমর্পণ করে হৃদয়ের আলোর কাছে।

৫১.

যখন স্বপ্ন দেখেন, তখন আপনার বিশ্বাসকে সুদৃঢ় করেন।

৫২.

যখন স্বপ্ন দেখো চাঁদের, তোমার মন ভরে যায় কোমলতায়।

৫৩.

যখন স্বপ্ন দেখো চাঁদের, তোমার জীবন হয়ে ওঠে নূতনত্ব।

৫৪

যখন স্বপ্ন দেখো চাঁদের , তোমার হৃদয় হয় পরিপূর্ণ।

৫৫.

এক সুন্দর স্বপ্ন জয় করে মনের সন্দেহ।

৫৬.

এক শক্তিশালী স্বপ্ন বদলিয়ে  দিতে পারে আমাদের জীবন অকল্পনীয়ভাবে।

৫৭.

স্বপ্ন আনে আশার-সুর্যোদয় আমাদের হৃদয়ে।

৫৮.
যখন আমাদের থাকে এক আত্মিক  স্বপ্ন, আমরা  আমাদের দেবত্বকে পুষি।

৫৯.

স্বপ্ন এক ডানা মেলা পাখি যা উড়ছে হাস্যোজ্জ্বল আকাশে।

৬০.

এক মিষ্টি স্বপ্ন স্বর্গের উৎসাহ-ছোঁয়া।

৬১.

মধুর স্বপ্নের মধ্যেই থাকে পৃথিবীর শান্তি।

৬২.
ধরিত্রী মা বিনিদ্রভাবে আশার-স্বপ্নের ডানায় ভর করে থাকেন।

৬৩.

এক মধুর স্বপ্নের সৌন্দর্য ও সৌরভ পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে ঘুম থেকে জাগাক।

 

মূল ইংরেজি থেকে সুহৃদ সরকার কর্তৃক অনূদিত

Standard